মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে তাদের জাতীয় বাজেট তৈরি করে

ফাইন্যান্স ভিশন
By -
0

 

বাজেট আসলে কী? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাজেট প্রক্রিয়া সহজ ভাষায়

"বাজেট" — এই শব্দটি অনেকেই শুনেছেন, কিন্তু এটি সঠিকভাবে কী, কীভাবে তৈরি হয়, এবং সাধারণ মানুষের জীবনে এর কী প্রভাব পড়ে — তা অনেকেরই অজানা। সহজ কথায় বলতে গেলে, বাজেট হলো একটি নির্দিষ্ট সময়ের (সাধারণত এক বছর) জন্য কত আয় হবে, কত খরচ হবে, এবং কোন খাতে কত টাকা বরাদ্দ করা হবে — তার একটি বিস্তারিত ও অনুমোদিত পরিকল্পনা।

এই লেখায় আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাজেট প্রক্রিয়াকে ধাপে ধাপে, সহজ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করব।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  জাতীয় বাজেট


১. বাজেট কী?

সহজ কথায়, একটি বাজেট হলো এক বছরের একটি পরিকল্পনা যা দেখায়:

  • সরকার কত টাকা আয় করবে বলে আশা করছে (মূলত কর বা ট্যাক্স থেকে)
  • সরকার কত টাকা ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছে
  • কোন কোন খাতে (যেমন প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা) সেই টাকার কত অংশ বরাদ্দ হবে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাজেট হলো বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজেট, যেখানে আয় এবং ব্যয় — উভয় ক্ষেত্রেই প্রায়ই কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার জড়িত থাকে।

২. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থবছর (Fiscal Year)

মার্কিন সরকার তাদের বাজেটের জন্য সাধারণ ক্যালেন্ডার বছর (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) ব্যবহার করে না। এর পরিবর্তে তারা একটি অর্থবছর (Fiscal Year) ব্যবহার করে:

অর্থবছর ২০২৭ (FY2027) = ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৭

এই লেখার সমস্ত বাজেটের হিসাব (আয়, ব্যয়, ঘাটতি) এই অর্থবছরের ধারণা অনুযায়ীই দেখানো হয়েছে।

৩. প্রথম ধাপ — রাষ্ট্রপতির বাজেট প্রস্তাবনা

প্রতি বছর, সাধারণত ফেব্রুয়ারি বা মার্চ মাসে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসে একটি বাজেট প্রস্তাবনা (Budget Proposal) পাঠান। এই প্রস্তাবনায় থাকে:

  1. প্রেসিডেন্টের নীতির লক্ষ্যমাত্রা — যেমন, "আমি স্বাস্থ্যসেবার উন্নতি করতে চাই" বা "আমি শিক্ষায় আরও বিনিয়োগ চাই।"
  2. খাতভিত্তিক ব্যয়ের হিসাব — প্রতিটি মন্ত্রণালয় বা কর্মসূচির জন্য কত টাকা প্রস্তাব করা হচ্ছে।
  3. রাজস্ব (আয়) হিসাব — ব্যক্তিগত আয়কর, কর্পোরেট ট্যাক্স, পে-রোল ট্যাক্স ইত্যাদি থেকে প্রত্যাশিত আয়।
  4. ঘাটতি বা উদ্বৃত্তের হিসাব — ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হলে ঘাটতি (Deficit), আর আয় বেশি হলে উদ্বৃত্ত (Surplus)।

উদাহরণ ১: প্রেসিডেন্টের FY2027 বাজেট প্রস্তাব (সহজ সংখ্যায়)

ধরুন, প্রেসিডেন্ট নিম্নলিখিত প্রস্তাব দিয়েছেন:

খাতপরিমাণ
মোট আয় (রাজস্ব)৫.০ ট্রিলিয়ন ডলার
মোট ব্যয়৭.০ ট্রিলিয়ন ডলার
ঘাটতি২.০ ট্রিলিয়ন ডলার
ব্যয়ের বিভাজন
প্রতিরক্ষা০.৯ ট্রিলিয়ন ডলার
স্বাস্থ্য২.০ ট্রিলিয়ন ডলার
শিক্ষা০.৯ ট্রিলিয়ন ডলার
অবকাঠামো০.৯ ট্রিলিয়ন ডলার
ঋণের সুদ০.৮ ট্রিলিয়ন ডলার
অন্যান্য০.৬ ট্রিলিয়ন ডলার

মনে রাখা জরুরি: এটি প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা মাত্র, কোনো আইন নয়। কংগ্রেস চাইলে এই সংখ্যাগুলো পরিবর্তন করতে পারে।

সংখ্যার নোট: ১ ট্রিলিয়ন = ১,০০০ বিলিয়ন। সুতরাং "$১.০ ট্রিলিয়ন" মানে $১,০০০ বিলিয়ন। ১ বিলিয়ন = নয়টি শূন্যসহ একটি সংখ্যা, আর ১ ট্রিলিয়ন = বারোটি শূন্যসহ।

৪. দ্বিতীয় ধাপ — কংগ্রেস: বাজেট রেজোলিউশন

প্রেসিডেন্ট তার প্রস্তাব পাঠানোর পর, দুটি প্রধান কমিটি কাজ শুরু করে:

  • হাউজ বাজেট কমিটি (House Budget Committee)
  • সিনেট বাজেট কমিটি (Senate Budget Committee)

তারা মিলে তৈরি করে একটি বাজেট রেজোলিউশন (Budget Resolution), যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলো নির্ধারণ করে:

  • সর্বোচ্চ ব্যয়ের সীমা — যেমন, ৭.০ ট্রিলিয়নের পরিবর্তে কংগ্রেস এটি ৬.৮ ট্রিলিয়নে নামিয়ে আনতে পারে।
  • আয়ের লক্ষ্যমাত্রা — যেমন, ৫.০ ট্রিলিয়নের পরিবর্তে ৫.২ ট্রিলিয়ন ডলার।
  • ঘাটতির লক্ষ্যমাত্রা — যেমন, ২.০ ট্রিলিয়নের পরিবর্তে ১.৬ ট্রিলিয়ন ডলার।
  • প্রতিটি খাতের জন্য গাইডলাইন — যেমন, "প্রতিরক্ষা খাতে সর্বোচ্চ ৮৫০ বিলিয়ন ডলার দেওয়া যাবে।"

বাজেট রেজোলিউশন কোনো আইন নয়, বরং এটি একটি রুলবুক বা নির্দেশিকা, যার ভিত্তিতে পরবর্তীতে কংগ্রেস ব্যয়ের আসল আইনগুলো তৈরি করে।

উদাহরণ ২: কংগ্রেসের বাজেট রেজোলিউশন (সহজ ভাষায়)

খাতপরিমাণ
মোট আয়৫.২ ট্রিলিয়ন ডলার
মোট ব্যয়৬.৮ ট্রিলিয়ন ডলার
ঘাটতি১.৬ ট্রিলিয়ন ডলার
খাতভিত্তিক ব্যয়
প্রতিরক্ষা৮৫০ বিলিয়ন ডলার
স্বাস্থ্য১.৯ ট্রিলিয়ন ডলার
শিক্ষা৮৫০ বিলিয়ন ডলার
অবকাঠামো৮৫০ বিলিয়ন ডলার
ঋণের সুদ৭৫০ বিলিয়ন ডলার
অন্যান্য৬০০ বিলিয়ন ডলার

এই সংখ্যাগুলোই হলো নির্দেশিকা, যা ভবিষ্যতের সকল ব্যয়ের বিল বা আইনকে মেনে চলতে হবে।

৫. তৃতীয় ধাপ — অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল: নির্দেশিকাকে আইনে পরিণত করা

বাজেট রেজোলিউশনকে গাইডলাইন হিসেবে ব্যবহার করে আরও কমিটিগুলো ১২টি অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল (Appropriations bills) তৈরি করে। প্রতিটি বিল সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির একটি অংশ কভার করে। সাধারণ কয়েকটি উদাহরণ:

  1. প্রতিরক্ষা
  2. স্বাস্থ্য এবং মানবসেবা
  3. শিক্ষা, শ্রম এবং স্বাস্থ্য
  4. পরিবহন, গৃহায়ন এবং নগর উন্নয়ন
  5. কৃষি

প্রতিটি বিল প্রথমে কমিটিতে ভোটাভুটির মাধ্যমে পাস হয়, এরপর পূর্ণাঙ্গ হাউজ এবং পূর্ণাঙ্গ সিনেটে ভোট হয়, তারপর স্বাক্ষরের জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে পাঠানো হয়। প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করার পরই এটি আইনে পরিণত হয় — এবং কেবল তখনই সেই টাকা বৈধভাবে ব্যয় করা যায়।

উদাহরণ ৩: একটি সাধারণ প্রতিরক্ষা অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল

খাতপরিমাণ
মোট প্রতিরক্ষা বাজেট৮৫০ বিলিয়ন ডলার
বেতন এবং প্রশিক্ষণ৩০০ বিলিয়ন ডলার
অস্ত্র এবং সরঞ্জাম৩৫০ বিলিয়ন ডলার
অপারেশন এবং ঘাঁটি১৫০ বিলিয়ন ডলার
গবেষণা ও উন্নয়ন৫০ বিলিয়ন ডলার

এই বিলটিকে অবশ্যই বাজেট রেজোলিউশন দ্বারা নির্ধারিত ৮৫০ বিলিয়ন ডলারের সীমার মধ্যে থাকতে হবে।

৬. মার্কিন বাজেটের তিনটি প্রধান ব্যয়ের খাত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল বাজেটকে তিনটি বড় অংশে ভাগ করা যায়:

৬.১. বাধ্যতামূলক ব্যয় (Mandatory Spending)

এই ব্যয় আইন অনুযায়ী বাধ্যতামূলকভাবে করতে হয়। কংগ্রেস প্রতি বছর এর জন্য আলাদা করে ভোট দেয় না; এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকে। প্রধান উদাহরণ:

  • সোশ্যাল সিকিউরিটি (Social Security) — বয়স্ক মার্কিনিদের জন্য ভাতা
  • মেডিকেয়ার (Medicare) — বয়স্কদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা
  • মেডিকেইড (Medicaid) — নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা

উদাহরণ ৪: ধরুন, FY2027-এ সোশ্যাল সিকিউরিটি ব্যয় হলো ১.৪ ট্রিলিয়ন ডলার। এটি বাধ্যতামূলক — আইন অনুযায়ী এই অর্থ প্রদান করতেই হবে, তাই টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খরচ হতে থাকে।

৬.২. স্বেচ্ছাধীন ব্যয় (Discretionary Spending)

এই ব্যয় কংগ্রেস প্রতি বছর অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিলের মাধ্যমে নির্ধারণ করে। এর অন্তর্ভুক্ত:

  • প্রতিরক্ষা
  • শিক্ষা
  • পরিবহন
  • বিভিন্ন গবেষণা কার্যক্রম
  • সরকারের অন্যান্য অনেক সংস্থা

উদাহরণ ৫: ধরুন, FY2027-এ শিক্ষা খাতে ব্যয় হলো ৮৫০ বিলিয়ন ডলার। এই টাকা ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার জন্য কংগ্রেসকে প্রতি বছর একটি অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল পাস করতে হয়।

৬.৩. জাতীয় ঋণের নিট সুদ (Net Interest on the National Debt)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সময়ের সাথে সাথে প্রচুর ঋণ নিয়েছে, যা তাদের জাতীয় ঋণ (National Debt) তৈরি করেছে। সরকারকে প্রতি বছর সেই ঋণের ওপর সুদ দিতে হয় — একে বলা হয় ঋণের নিট সুদ।

উদাহরণ ৬: ধরুন, জাতীয় ঋণ প্রায় ৩৮ ট্রিলিয়ন ডলার। সুদের হার এবং ঋণের আকার মিলিয়ে FY2027-এ সুদ প্রদানের পরিমাণ প্রায় ৭৫০ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। এটি প্রতি বছর বাজেটের একটি অংশ, এবং ঋণ বাড়লে সুদের পরিমাণও বাড়ে।

৭. রাজস্ব: সরকার কীভাবে টাকা পায়

মার্কিন সরকার মূলত নিচের খাতগুলো থেকে টাকা পায়:

  1. ব্যক্তিগত আয়কর (Personal income tax) — কর্মীদের বেতনের ওপর কর
  2. পে-রোল ট্যাক্স (Payroll taxes) — সোশ্যাল সিকিউরিটি এবং মেডিকেয়ারের জন্য
  3. কর্পোরেট আয়কর (Corporate income tax) — কোম্পানির মুনাফার ওপর কর
  4. অন্যান্য কর — শুল্ক, আবগারি শুল্ক ইত্যাদি

কংগ্রেস করের আইন তৈরি করে এবং প্রেসিডেন্ট তাতে স্বাক্ষর করেন। কংগ্রেস করের হার পরিবর্তন করলে বাজেটের রাজস্ব বা আয়ও পরিবর্তিত হয়।

৮. ঘাটতি (Deficit) এবং উদ্বৃত্ত (Surplus)

  • ঘাটতি (Deficit) = আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হওয়া। উদাহরণ: ব্যয় ৭.০ ট্রিলিয়ন, আয় ৫.০ ট্রিলিয়ন → ঘাটতি ২.০ ট্রিলিয়ন।
  • উদ্বৃত্ত (Surplus) = ব্যয়ের চেয়ে আয় বেশি হওয়া। উদাহরণ: আয় ৫.৫ ট্রিলিয়ন, ব্যয় ৫.০ ট্রিলিয়ন → উদ্বৃত্ত ০.৫ ট্রিলিয়ন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক ঘাটতি প্রায় ১.৫ থেকে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি থেকেছে। যখন প্রতি বছর ঘাটতি থাকে, তখন জাতীয় ঋণ বৃদ্ধি পায় — এর অর্থ হলো, পরের বছর সুদ প্রদানের পরিমাণও বাড়বে, যা বাজেটের ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করে।

৯. মার্কিন বাজেট প্রক্রিয়া কেন অনন্য?

  1. একাধিক অংশগ্রহণকারী — প্রেসিডেন্ট প্রস্তাব দেন, কিন্তু কংগ্রেস আসল সংখ্যাগুলো নির্ধারণ করে।
  2. ক্ষমতার পৃথকীকরণ (Separated powers) — প্রেসিডেন্ট তার বাজেট মেনে নিতে কংগ্রেসকে বাধ্য করতে পারেন না; কংগ্রেস চাইলে এর অংশবিশেষ পরিবর্তন, হ্রাস বা বাতিলও করতে পারে।
  3. তিন ধরনের ব্যয় — বাধ্যতামূলক, স্বেচ্ছাধীন এবং সুদ — এই কাঠামো অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় বেশ আলাদা।
  4. বিশাল আকার — এই বাজেটে কয়েক ট্রিলিয়ন ডলার জড়িত, যা লাখো মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে।

১০. সাধারণ মানুষের ওপর এই বাজেটের প্রভাব

এই বিশাল বাজেট শুধু কিছু সংখ্যা নয়; এটি বাস্তব জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে:

  • বয়স্ক ব্যক্তিরা সোশ্যাল সিকিউরিটি এবং মেডিকেয়ারের ওপর নির্ভর করেন
  • নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো মেডিকেইড এবং অন্যান্য সহায়তা কর্মসূচির ওপর নির্ভর করে
  • শিক্ষার্থীরা শিক্ষা অনুদান এবং ঋণের সুবিধা পান
  • কর্মীরা সরকার, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামো প্রকল্পে চাকরি পান
  • সবাইকে কর দিতে হয়, যা দিয়ে এই বাজেটের অর্থায়ন হয়

সুতরাং, বাজেট প্রক্রিয়া শুধু রাজনীতির বিষয় নয় — এটি মূলত একটি দেশ কীভাবে বাঁচবে, কাজ করবে এবং তার জনগণকে কীভাবে সহায়তা করবে, তার সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া।

সারসংক্ষেপ

  • মার্কিন বাজেট শুরু হয় প্রেসিডেন্টের প্রস্তাবনার মাধ্যমে।
  • কংগ্রেস (হাউজ ও সিনেট) ব্যয়ের সীমা নির্ধারণ করে একটি বাজেট রেজোলিউশন তৈরি করে।
  • এরপর, ১২টি অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন বিল সেই সীমাগুলোকে বাস্তব আইনে পরিণত করে।
  • বাজেটটি প্রধানত তিন ভাগে বিভক্ত: বাধ্যতামূলক ব্যয় (সোশ্যাল সিকিউরিটি, মেডিকেয়ার, মেডিকেইড), স্বেচ্ছাধীন ব্যয় (প্রতিরক্ষা, শিক্ষা ইত্যাদি), এবং জাতীয় ঋণের ওপর সুদ।
  • এই পুরো খরচের অর্থ মূলত কর বা ট্যাক্স থেকে আসে।
  • আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হলে ঘাটতি (Deficit) তৈরি হয়, যা জাতীয় ঋণ বৃদ্ধি করে।

এই প্রক্রিয়াটি বেশ জটিল মনে হতে পারে, তবে ধাপগুলো বুঝতে পারলে এবং সহজ উদাহরণগুলোর দিকে তাকালে বিষয়টি খুব সহজেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/related/default