Income Tax Filing-এ এই ৫টি বড় ভুল করলে আপনাকে দ্বিগুণ ট্যাক্স দিতে হতে পারে! আজই জানুন

ফাইন্যান্স ভিশন
By -
0

 ফাইন্যান্স ভিশন : জুন ২৯, ২০২৬


ইনকাম ট্যাক্স ফাইলিং অনেকের কাছেই একটি জটিল এবং চাপের কাজ মনে হয়। তাড়াহুড়ো করে কিংবা না বুঝে ফাইলিং করতে গিয়ে আমরা প্রায়ই এমন কিছু ভুল করে ফেলি যার ফলে প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি ট্যাক্স দিতে হয়। অনেকে আবার বৈধ ছাড় (deductions) ও রিবেট সম্পর্কে না জানার কারণে হাজার হাজার টাকা বাড়তি গুনে থাকেন। আজকের এই ব্লগে আমরা জানব এমন ৫টি সাধারণ ভুলের কথা, যা এড়িয়ে চললে আপনি আপনার কষ্টার্জিত অর্থ অনেকাংশে বাঁচাতে পারবেন।


Income Tax Filing-এর ৫টি বড় ভুল  বেশি ট্যাক্স থেকে বাঁচুন


১. সব ইনকাম সোর্স ঠিকমতো ডিক্লেয়ার না করা

অনেক করদাতা মনে করেন শুধু বেতন বা প্রধান ব্যবসার আয়ই ট্যাক্স রিটার্নে দেখাতে হয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো — সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদ, ফিক্সড ডিপোজিটের ইন্টারেস্ট, ভাড়ার আয়, শেয়ার বা মিউচুয়াল ফান্ড থেকে প্রাপ্ত ডিভিডেন্ড, ফ্রিল্যান্সিং আয়, এমনকি ছোটখাটো পার্ট-টাইম ইনকামও রিটার্নে উল্লেখ করতে হয়।

এই আয়গুলো না দেখালে দুটি সমস্যা হতে পারে। প্রথমত, ট্যাক্স অফিস AIS (Annual Information Statement) বা TDS রেকর্ড থেকে এসব আয় খুঁজে পেলে নোটিশ পাঠাতে পারে, এবং জরিমানাসহ অতিরিক্ত কর আদায় করতে পারে। দ্বিতীয়ত, কিছু আয়ের ক্ষেত্রে ছাড় (যেমন সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদের উপর নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ছাড়) পাওয়া যায়, যা আপনি ডিক্লেয়ার না করলে দাবি করতে পারবেন না। সবসময় AIS এবং Form 26AS মিলিয়ে দেখে রিটার্ন ফাইল করুন।

২. ডিডাকশন ও এক্সেম্পশন সঠিকভাবে ক্লেইম না করা

এটি সবচেয়ে বড় ভুল যা মানুষ বেশি ট্যাক্স দিতে বাধ্য হয়। ৮০সি (LIC, PPF, ELSS, টিউশন ফি, হোম লোনের প্রিন্সিপাল), ৮০ডি (স্বাস্থ্য বীমার প্রিমিয়াম), ৮০ই (এডুকেশন লোনের সুদ), ৮০টিটিএ/৮০টিটিবি (সেভিংস অ্যাকাউন্টের সুদ), HRA, LTA, স্ট্যান্ডার্ড ডিডাকশন — এমন অনেক বৈধ সুযোগ আছে যা আপনার ট্যাক্সেবল ইনকাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।

অনেকে শুধু ৮০সি-এর ১.৫ লাখ টাকার ছাড় নিয়েই থেমে যান, অথচ NPS-এ অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকার ছাড় (৮০CCD(1B)), বাবা-মায়ের স্বাস্থ্য বীমার জন্য আলাদা ছাড়, কিংবা বাড়ি ভাড়ার রসিদ দেখিয়ে HRA এক্সেম্পশন — এসব সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। বছরের শুরু থেকেই বিনিয়োগ ও খরচের রসিদ সংরক্ষণ করুন এবং একজন ট্যাক্স কনসালটেন্টের সাহায্য নিন।

৩. ভুল ট্যাক্স রেজিম বেছে নেওয়া

বর্তমানে দুটি ট্যাক্স রেজিম চালু আছে — পুরাতন (Old Regime) এবং নতুন (New Regime)। পুরাতন রেজিমে আপনি বিভিন্ন ডিডাকশন ও এক্সেম্পশন পান কিন্তু ট্যাক্স রেট তুলনামূলক বেশি। অন্যদিকে নতুন রেজিমে ট্যাক্স রেট কম কিন্তু বেশিরভাগ ডিডাকশন পাওয়া যায় না।

অনেকেই না বুঝে যেকোনো একটি রেজিম বেছে নেন এবং পরে দেখেন অন্যটিতে গেলে অনেক টাকা বাঁচত। যদি আপনার বিনিয়োগ ও ছাড়ের পরিমাণ বেশি হয় (যেমন হোম লোন, বীমা, PPF ইত্যাদি), তাহলে পুরাতন রেজিম লাভজনক হতে পারে। আর যদি আপনি বিনিয়োগে আগ্রহী না হন বা ছাড় কম, তাহলে নতুন রেজিম ভালো। ফাইলিংয়ের আগে দুটি রেজিমেই হিসাব করে দেখে নিন কোনটিতে কম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে।

৪. শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে ফাইলিং করা

ডেডলাইনের ঠিক আগে তাড়াহুড়ো করে রিটার্ন ফাইল করা সবচেয়ে বিপজ্জনক ভুলগুলোর একটি। তাড়াহুড়োয় ভুল ITR ফর্ম সিলেক্ট করা, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ভুল দেওয়া, PAN-Aadhaar লিংক না করা, কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ডিডাকশন বাদ পড়ে যাওয়া — এসব সমস্যা প্রায়ই দেখা যায়। ফলে রিফান্ড আটকে যায় কিংবা ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট থেকে নোটিশ আসে।

এছাড়া ডেডলাইন মিস করলে লেট ফি (৫,০০০ টাকা পর্যন্ত), সুদ এবং কিছু সুবিধা হারানোর ঝুঁকি থাকে — যেমন লস ক্যারি ফরওয়ার্ড করতে না পারা। সবসময় চেষ্টা করুন ফাইলিং শুরু হওয়ার এক মাসের মধ্যেই সব ডকুমেন্ট গুছিয়ে রিটার্ন জমা দিতে।

৫. রিটার্ন ফাইলিংয়ের পর ভেরিফিকেশন না করা

অনেকে রিটার্ন ফাইল করেই কাজ শেষ মনে করেন। কিন্তু রিটার্ন ফাইলিং তখনই সম্পূর্ণ হয় যখন আপনি ই-ভেরিফিকেশন (Aadhaar OTP, নেট ব্যাংকিং, বা ITR-V সাইন করে পাঠানো) সম্পন্ন করেন। ভেরিফিকেশন না করলে আপনার রিটার্ন অবৈধ (invalid) হয়ে যাবে এবং মনে করা হবে আপনি আদৌ রিটার্ন ফাইলই করেননি।

এর ফলে আপনি রিফান্ড পাবেন না, এবং নন-ফাইলিংয়ের জন্য জরিমানা ও সুদ গুনতে হতে পারে। বর্তমানে ই-ভেরিফিকেশনের সময়সীমা মাত্র ৩০ দিন, তাই ফাইলিংয়ের সঙ্গে সঙ্গেই এই কাজটি সেরে ফেলুন।


ইনকাম ট্যাক্স ফাইলিং কঠিন মনে হলেও সঠিক পরিকল্পনা ও সচেতনতার সঙ্গে এটি অনেক সহজ হয়ে যায়। উপরের ৫টি ভুল এড়াতে পারলে আপনি শুধু অতিরিক্ত ট্যাক্স থেকেই রক্ষা পাবেন না, বরং একজন দায়িত্বশীল করদাতা হিসেবেও নিজের অবস্থান শক্ত করতে পারবেন। মনে রাখবেন — ট্যাক্স প্ল্যানিং একদিনের কাজ নয়, এটি সারা বছরের একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। আজ থেকেই আপনার সব আর্থিক ডকুমেন্ট গুছিয়ে রাখুন এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

AQ: ইনকাম ট্যাক্স ফাইলিং সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

Q1: ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করার শেষ তারিখ কবে?

উত্তর: সাধারণ করদাতা (Individual taxpayers) যাদের অ্যাকাউন্ট অডিট করার প্রয়োজন নেই, তাদের জন্য ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফাইল করার শেষ তারিখ সাধারণত প্রতি বছরের ৩১শে জুলাই। অর্থাৎ, আর্থিক বছর ২০২৫-২৬ (Assessment Year 2026-27)-এর রিটার্ন ৩১শে জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে জমা দিতে হবে।

যেসব ব্যবসায়ী বা পেশাদারের অ্যাকাউন্ট অডিট করতে হয়, তাদের জন্য সময়সীমা ৩১শে অক্টোবর। আর যাদের ট্রান্সফার প্রাইসিং রিপোর্ট দিতে হয়, তাদের জন্য ৩০শে নভেম্বর পর্যন্ত সময় থাকে।

যদি আপনি ডেডলাইন মিস করেন, তাহলেও ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বিলম্বিত রিটার্ন (Belated Return) ফাইল করতে পারবেন, তবে লেট ফি দিতে হবে। তাই সময়মতো ফাইলিং করাই বুদ্ধিমানের কাজ। সরকার মাঝে মাঝে ডেডলাইন বাড়ায়, তাই অফিসিয়াল ওয়েবসাইট incometax.gov.in চেক করে নিন।


Q2: Old Tax Regime ও New Tax Regime এর মধ্যে কোনটি ভালো?

উত্তর: এর উত্তর সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আপনার আয়, বিনিয়োগ এবং খরচের ধরনের উপর। কোনো একটি রেজিম সবার জন্য ভালো — এমন কথা বলা যায় না।

Old Tax Regime আপনার জন্য ভালো যদি: আপনার ৮০সি, ৮০ডি, HRA, হোম লোনের সুদ, LTA-র মতো ছাড়গুলো মিলিয়ে বছরে ৩-৪ লাখ টাকার বেশি ডিডাকশন থাকে। যারা PPF, LIC, ELSS, হোম লোন EMI পরিশোধ করেন এবং বাড়ি ভাড়া দেন — তাদের জন্য সাধারণত পুরাতন রেজিম বেশি লাভজনক।

New Tax Regime আপনার জন্য ভালো যদি: আপনার বিনিয়োগ কম, ছাড় ক্লেইম করার মতো কাগজপত্র নেই, বা আপনি সহজ ও ঝামেলামুক্ত ফাইলিং চান। নতুন রেজিমে স্ল্যাব রেট কম এবং ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কার্যত কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না (rebate u/s 87A)। তরুণ চাকরিজীবী যাদের এখনও বড় বিনিয়োগ শুরু হয়নি, তাদের জন্য এটি ভালো।

প্রো টিপ: ফাইলিংয়ের আগে অনলাইন ট্যাক্স ক্যালকুলেটর দিয়ে দুটি রেজিমেই হিসাব করে যেটাতে কম ট্যাক্স আসবে সেটি বেছে নিন।


Q3: ৮০সি-তে সর্বোচ্চ কত টাকা ছাড় পাওয়া যায়?

উত্তর: ইনকাম ট্যাক্স অ্যাক্টের সেকশন ৮০সি-এর অধীনে এক আর্থিক বছরে সর্বোচ্চ ১,৫০,০০০ টাকা (১.৫ লাখ) পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যায়। এই ছাড় শুধুমাত্র Old Tax Regime-এ প্রযোজ্য।

৮০সি-এর অধীনে যেসব বিনিয়োগ ও খরচে ছাড় পাওয়া যায়: PPF (Public Provident Fund), EPF (Employee Provident Fund), LIC প্রিমিয়াম, ELSS মিউচুয়াল ফান্ড, NSC (National Savings Certificate), Tax Saving FD (৫ বছরের), Sukanya Samriddhi Yojana, হোম লোনের প্রিন্সিপাল রিপেমেন্ট, সন্তানের টিউশন ফি (সর্বোচ্চ ২ সন্তানের জন্য), ULIP প্রিমিয়াম ইত্যাদি।

অতিরিক্ত সুযোগ: ৮০সি ছাড়াও আপনি সেকশন ৮০CCD(1B)-এর অধীনে NPS-এ বিনিয়োগ করে অতিরিক্ত ৫০,০০০ টাকা ছাড় পেতে পারেন। অর্থাৎ মোট ছাড় দাঁড়ায় ২ লাখ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া এমপ্লয়ারের NPS কন্ট্রিবিউশন ৮০CCD(2)-এর অধীনে আলাদা ছাড় হিসেবে গণ্য হয়।


Q4: ITR ফাইল না করলে কী জরিমানা হয়?

উত্তর: ITR ফাইল না করা বা দেরিতে ফাইল করার একাধিক আর্থিক ও আইনি পরিণতি আছে। সেগুলো হলো:

লেট ফি (Section 234F অনুযায়ী): ডেডলাইনের পরে রিটার্ন ফাইল করলে যদি আপনার বার্ষিক আয় ৫ লাখ টাকার বেশি হয়, তাহলে ৫,০০০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। আর যদি আয় ৫ লাখের কম হয়, তাহলে সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকা লেট ফি।

সুদ (Interest u/s 234A, 234B, 234C): যদি আপনার ট্যাক্স বকেয়া থাকে, তাহলে প্রতি মাসে ১% হারে সুদ দিতে হবে যতদিন না বকেয়া পরিশোধ হয়।

লস ক্যারি ফরওয়ার্ড করতে না পারা: শেয়ার মার্কেট, ব্যবসা বা প্রপার্টি থেকে লস হলে সেটি পরবর্তী বছরে অ্যাডজাস্ট করার সুযোগ থাকে। কিন্তু সময়মতো রিটার্ন ফাইল না করলে এই সুবিধা পাবেন না।

রিফান্ড আটকে যাওয়া: আপনার যদি TDS কাটা হয়ে থাকে এবং রিফান্ড পাওনা থাকে, রিটার্ন ফাইল না করলে সেই টাকা আপনি পাবেন না।

আইনি ব্যবস্থা: চরম ক্ষেত্রে, যদি ট্যাক্স ফাঁকির পরিমাণ ২৫,০০০ টাকার বেশি হয় এবং ইচ্ছাকৃতভাবে রিটার্ন ফাইল না করা হয়, তাহলে ৬ মাস থেকে ৭ বছর পর্যন্ত জেল এবং ভারী জরিমানা হতে পারে (Section 276CC)।

লোন ও ভিসায় সমস্যা: হোম লোন, পার্সোনাল লোন বা বিদেশ ভ্রমণের ভিসার জন্য সাধারণত গত ২-৩ বছরের ITR দেখাতে হয়। ফাইল না করলে এসব ক্ষেত্রে বড় সমস্যায় পড়তে পারেন।


Q5: E-verification না করলে কী হবে?

উত্তর: অনেকে মনে করেন রিটার্ন জমা দিলেই কাজ শেষ — এটি একটি বড় ভুল ধারণা। E-verification না করলে আপনার ITR অবৈধ (Invalid) বলে গণ্য হবে, অর্থাৎ আইনের চোখে আপনি রিটার্ন ফাইলই করেননি।

E-verification না করার পরিণতি:

প্রথমত, আপনার রিটার্ন প্রসেস হবে না এবং ট্যাক্স ডিপার্টমেন্ট সেটি বিবেচনায় নেবে না। দ্বিতীয়ত, আপনি যদি রিফান্ড পাওয়ার যোগ্য হন, সেটি আটকে যাবে এবং আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে আসবে না। তৃতীয়ত, এটি নন-ফাইলিং হিসেবে বিবেচিত হবে, ফলে লেট ফি, সুদ এবং অন্যান্য জরিমানা প্রযোজ্য হতে পারে। চতুর্থত, লস ক্যারি ফরওয়ার্ড করার সুবিধা হারাবেন।

E-verification করার সময়সীমা: রিটার্ন ফাইল করার পর ৩০ দিনের মধ্যে ই-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। আগে এই সময়সীমা ১২০ দিন ছিল, কিন্তু বর্তমানে তা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।

E-verification করার সহজ পদ্ধতি: Aadhaar OTP-এর মাধ্যমে (সবচেয়ে দ্রুত), নেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট EVC দিয়ে, ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট EVC দিয়ে, অথবা ITR-V ফর্ম প্রিন্ট করে স্বাক্ষর করে স্পিড পোস্টে বেঙ্গালুরুর CPC অফিসে পাঠিয়ে।

পরামর্শ: রিটার্ন ফাইল করার সঙ্গে সঙ্গেই Aadhaar OTP দিয়ে ই-ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করে নিন — এটি মাত্র ২ মিনিটের কাজ এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।


শেষ কথা

আশা করি এই FAQ সেকশন আপনার ইনকাম ট্যাক্স সংক্রান্ত সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে পেরেছে। ট্যাক্স ফাইলিং একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক দায়িত্ব, এবং সঠিক তথ্য জানা থাকলে এটি অনেক সহজ হয়ে যায়। যদি আপনার কেস জটিল হয় (একাধিক আয়ের উৎস, ব্যবসা, ক্যাপিটাল গেইন ইত্যাদি), তাহলে অবশ্যই একজন Chartered Accountant (CA) বা ট্যাক্স কনসালটেন্টের পরামর্শ নিন।



আপনার ট্যাক্স ফাইলিংয়ের অভিজ্ঞতা কেমন? কোন ভুলটি আপনি নিজে করেছেন বা এড়িয়ে চলেছেন? কমেন্টে জানান এবং এই আর্টিকেলটি বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করুন যাতে তারাও বাড়তি ট্যাক্স দেওয়া থেকে বাঁচতে পারেন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)
3/related/default