আজ আমরা জানবো জার্মানির ট্যাক্স সিস্টেম সম্পর্কে। জার্মানি এমন এক দেশ যেখানে কর (Tax) আদায়ের মাধ্যমে পুরো দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক পরিষেবা চালানো হয়।
জার্মানির ট্যাক্স সিস্টেম কি খুব জটিল?
কিছুটা জটিল বলা যায়। কারণ সেখানে কর আদায় হয় তিনটি স্তরে —
- ফেডারেল সরকার (Federal Government)
- রাজ্য সরকার (Länder)
- স্থানীয় পৌরসভা (Municipality)
প্রতিটি স্তরের নিজস্ব কর আদায়ের ক্ষমতা আছে।
জার্মানির করের প্রধান ধরন
১. আয়কর (Income Tax / Einkommensteuer)
আয়কর কীভাবে কাজ করে?
জার্মানির সবচেয়ে বড় কর উৎস হলো আয়কর।
যারা জার্মানিতে থাকেন, তাদের বিশ্বব্যাপী আয় এর উপর কর দিতে হয়।
অন্য দেশ থেকে যারা কাজ করে আয় করেন, তারা শুধুমাত্র জার্মানিতে অর্জিত আয় এর উপর কর দেন।
২০২৫ সালের জন্য করের হার (Tax Rate) এভাবে নির্ধারিত
- €12,096 পর্যন্ত আয় (একজন অবিবাহিত) বা €24,192 পর্যন্ত আয় (বিবাহিত দম্পতি) — করমুক্ত।
- এর উপরে আয় হলে ধাপে ধাপে ১৪% থেকে ৪২% পর্যন্ত কর দিতে হয়।
- সর্বোচ্চ আয়ের উপর করহার ৪৫%, যদি আয় €277,825 এর বেশি হয়।
বিবাহিত দম্পতিরা চাইলে যৌথভাবে (Joint Assessment) কর দিতে পারেন, এতে করের বোঝা কিছুটা কমে যায়।
২. মূল্য সংযোজন কর (VAT / Mehrwertsteuer)
VAT কী?
VAT মানে হলো Value Added Tax।
এটা হলো এমন কর যা প্রায় সব পণ্য ও সেবার উপর আরোপ করা হয়।
- সাধারণ VAT হার: ১৯% (যেমন পোশাক, ইলেকট্রনিক্স ইত্যাদি)
- হ্রাসকৃত হার: ৭% (খাবার, বই ইত্যাদি)
- কিছু বিশেষ জিনিস যেমন সোলার প্যানেল সিস্টেমে VAT একদম শূন্য (০%) রাখা হয়েছে।
ছোট ব্যবসায়ীরা নির্দিষ্ট সীমার নিচে আয় করলে VAT দিতে হয় না, তবে চাইলে নিজের ইচ্ছায় রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন।
৩. কোম্পানি ও অন্যান্য কর
জার্মানিতে বড় বড় কোম্পানিগুলো Corporate Tax দেয়।
২০২৫ সালের Investment Booster Program অনুযায়ী কোম্পানিগুলো নতুন মেশিন বা প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ করলে কর ছাড় (Tax Benefit) পায়।
অন্য করের মধ্যে রয়েছে —
- উত্তরাধিকার কর (Inheritance Tax)
- সম্পত্তি কর (Property Tax)
- রিয়েল এস্টেট ট্রান্সফার ট্যাক্স
- মদ, তামাক ও জ্বালানি পণ্যের উপর বিশেষ কর (Excise Duty)
কর পরিচালনা ও রাজস্ব বণ্টন
এত কর সংগ্রহ হলে এগুলো কোথায় যায়?
জার্মানির সংবিধান অনুযায়ী —
- ফেডারেল সরকার নেয় কাস্টমস ও বীমা সম্পর্কিত কর।
- রাজ্য সরকার নেয় উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি সম্পর্কিত কর।
- পৌরসভা (Municipality) নেয় স্থানীয় কর যেমন বাড়ি বা জমির কর।
আয়কর ও VAT এর রাজস্ব ফেডারেল ও রাজ্য সরকার ভাগাভাগি করে নেয়।
নাগরিকের কর দায়িত্ব ও সুবিধা
প্রত্যেক নাগরিককে প্রতি বছর নিজের ট্যাক্স রিটার্ন (Tax Return) জমা দিতে হয়।
এতে নিজের আয়ের উৎস, ছাড় (Deduction), ও ভাতা (Allowance) উল্লেখ করতে হয়।
অতিরিক্তভাবে, জার্মানিতে দুটি বাধ্যতামূলক চার্জ আছে —
- Solidarity Surcharge (জাতীয় উন্নয়ন তহবিলের জন্য)
- Social Security Contribution (স্বাস্থ্য ও বেকারভাতা ইত্যাদির জন্য)
এছাড়া পরিবেশ রক্ষার জন্য সরকার ইলেকট্রিক গাড়ির উপর কর ছাড় দিয়েছে, যা ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে।
সমস্যা: ছায়া অর্থনীতি (Shadow Economy)
জার্মানির একটি বড় সমস্যা হলো অপ্রকাশিত আয় বা ছায়া অর্থনীতি।
এটি মোট GDP-এর প্রায় ১১%।
এর কারণ হলো উচ্চ করহার এবং সরকারি সাহায্যের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা।
নতুন
কর ছাড় ও রিফর্মের মূল বিষয়গুলো
উত্তেজনাপূর্ণ
বিনিয়োগ প্রণোদনা
- জার্মান সরকার “Growth booster” বা “ইনভেস্টমেন্ট বুস্টার” নামে একটি বড় প্যাকেজ চালু করেছে, যাতে আছে ওয়াস্তা: দ্রুত অবচয় (accelerated depreciation)
- ৩০ জুন ২০২৫-এর পর এবং ১ জানুয়ারি ২০২৮-এর আগে আয়ের উপযোগী স্থায়ী চলক্ষম (movable fixed assets) কিনলে এমন অবচয় সুবিধা: প্রথম বছরে উচ্চ হারে অবচয় করা যাবে।
- কোম্পানি ইলেকট্রিক যান কিনলে বিশেষ ছাড়: কোম্পানি যান (electric vehicles) হলে সেই যান-মূল্যের বেশিরভাগ অংশ (উদাহরণস্বরূপ ৭৫ %) প্রথম বছরে অবচয় করা যাবে।
করহার
ধীরে ধীরে কমছে
- কোম্পানিগুলোর জন্য করহার (corporate tax rate) ২০২৮ সাল থেকে ধাপে ধাপে কমতে শুরু করবে — বর্তমানে ফেডারেল কর ~১৫ % থাকলেও ২০৩২ সালের দিকে ~১০ % হওয়া লক্ষ্য রয়েছে।
- এর ফলে কোম্পানিতে বিনিয়োগের আকর্ষণ বাড়বে।
রিফর্মস-এর অন্যান্য দিক
- গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) ও ইনোভেশনের জন্য কর ছাড় বা বিশেষ সুবিধা বাড়ানো হয়েছে।
- বিনিয়োগ তহবিল ও ফান্ড (investment funds)-এর জন্য কর কাঠামোতে স্বচ্ছতা বাড়ানো হয়েছে, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক ফান্ড বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টিকোণ থেকে।
আপনার
জন্য কী মানে হয়?
- আপনি যদি কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে চান (বিশেষ করে জার্মান কোম্পানিতে), তাহলে বুঝে নিন যে ২০২৫–২০২৭ সালগুলিতে অবচয় সুবিধা বেশি এবং পরবর্তী বছরগুলোতে করহার কম হবে — তাই সময় গুরুত্বপূর্ণ।
- ইলেকট্রিক ভেহিকল কিনতে পারেন হলে কোম্পানির জন্য বিশেষ সুবিধা রয়েছে — এটি করের দৃষ্টিকোণ থেকেও আকর্ষণীয় হতে পারে।
- বিনিয়োগ ফান্ড বা মিউচুয়াল ফান্ড-এর ক্ষেত্রে যদি বিদেশি হয় বা বিদেশি সম্পৃক্ততা থাকে, তাহলে রেফরেন্স নেওয়া উচিত যে আপনার বিনিয়োগের ওপর কর ও রিপোর্টিং দায় রয়েছে কি না (উদাহরণস্বরূপ বিদেশি ফান্ডে)।
- কর পরামর্শ পাওয়া উচিত: যেহেতু রিফর্ম চলছে, আইন ও ব্যাবহারিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে পার্থক্য থাকতে পারে।
কিছু
সীমাবদ্ধতা ও খেয়াল রাখার বিষয়
- এই ছাড় বা রিফর্ম সব বিনিয়োগকারীর জন্য নয় — বিশেষ করে যদি আপনি শুধুই ব্যক্তিগত বিনিয়োগকারী হন বা স্টক/ডিভিডেন্ড/ক্যাপিটাল গেইন-এর ক্ষেত্রে — এসব ক্ষেত্রে আলাদা নিয়ম আছে।
- নতুন নিয়মগুলো টাইম-লিমিটেড: যেমন অবচয়ের সুবিধাটি ৩০ জুন ২০২৫-এর পর ও ১ জানুয়ারি ২০২৮-এর আগে করা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে।
- করের রেফর্মে স্থানীয় রাজ্য ও পৌরসভার কর ও নিয়মও ভূমিকা রাখে — কেননা কর বণ্টন ব্যবস্থা জটিল।
- যেকোনো বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই ট্যাক্স অ্যাডভাইস নেয়া ভালো — কারণ আইন পরিবর্তনের পর প্রয়োগে বিবিধতা থাকতে পারে।
কর্পোরেট ট্যাক্স সিস্টেম :
কর্পোরেট ট্যাক্স (Corporate Tax) কীভাবে কাজ করে
জার্মানিতে কোম্পানিগুলোর জন্য কর ব্যবস্থা তিনটি স্তরে বিভক্ত:
1. ফেডারেল কর
(Corporate Income Tax)
- হার: ১৫%
- এর সঙ্গে
যুক্ত হয়
একটি ছোট
অতিরিক্ত চার্জ
— Solidarity Surcharge (৫.৫%),
যা ওই ১৫% করের উপর হিসাব করা হয়। - অর্থাৎ মোট
ফেডারেল কর
দাঁড়ায় প্রায়
১৫.৮২৫%।
উদাহরণ:
কোনো কোম্পানির লাভ €100 হলে
—
১৫% = €15 কর,
সারচার্জ = €0.825
মোট = €15.825 ট্যাক্স।
2.ট্রেড ট্যাক্স
(Trade Tax / Gewerbesteuer)
- এটি স্থানীয়
সরকার (Municipality) নেয়।
- হার শহরভেদে
পরিবর্তন হয়
— সাধারণত ১৪%–১৭% পর্যন্ত।
- ফলে মোট
কার্যকর করের
হার (Effective Tax Rate) প্রায় ৩০%–৩৩% হয়।
উদাহরণ:
- বার্লিন বা
মিউনিখে কর
তুলনামূলক বেশি,
- ছোট শহর
বা গ্রামীণ
এলাকায় কিছুটা
কম।
3.করের নিয়মাবলি
- কর আরোপ
হয় লাভের
উপর (Profit)।
- ক্ষতি হলে ভবিষ্যতের
আয় থেকে
তা সমন্বয়
করা যায়
(Loss Carry Forward)।
- ডিভিডেন্ড ও শেয়ার বিক্রির লাভের ৯৫% নির্দিষ্ট শর্তে
করমুক্ত থাকে।
- করহার ধ্রুবক
(Flat Rate), অর্থাৎ আয়
বাড়লেও হার
একই থাকে।
২০২৫ সালের
পর নতুন
কর ছাড়
ও রিফর্ম
(Tax Reforms & Incentives)
২০২৫ সালে জার্মান সরকার “Investment Booster Program” বা “Growth Booster” নামে
বড় কর সংস্কার পরিকল্পনা চালু করেছে।
এর লক্ষ্য হলো — বিনিয়োগ
বৃদ্ধি, প্রযুক্তি
উন্নয়ন, এবং
সবুজ অর্থনীতি
গঠন।
মূল পরিবর্তন ও সুবিধা
দ্রুত অবচয়
(Accelerated Depreciation)
- ৩০ জুন
২০২৫-এর
পর থেকে
১ জানুয়ারি
২০২৮-এর
মধ্যে যদি
কোনো কোম্পানি
নতুন যন্ত্রপাতি
বা স্থায়ী
সম্পদ কেনে,
তাহলে প্রথম বছরেই উচ্চ হারে অবচয় (Depreciation) দেখানো যাবে। - এতে কোম্পানির
ট্যাক্সযোগ্য আয়
কমবে → করের
পরিমাণও কমে
যাবে।
ইলেকট্রিক গাড়িতে কর ছাড়
- ইলেকট্রিক যান
কিনলে সেই
গাড়ির মূল্যের
৭৫% পর্যন্ত প্রথম
বছরেই অবচয়
হিসেবে গণনা
করা যাবে।
- পরিবেশবান্ধব নীতি
বাস্তবায়নের পাশাপাশি
এটি ব্যবসার
জন্যও কর
সুবিধা তৈরি
করে।
করহার কমানোর পরিকল্পনা
- বর্তমানে ফেডারেল
করহার ১৫%,
কিন্তু নতুন নীতিতে ২০২৮ সাল থেকে এটি প্রতি বছর ১% করে কমবে। - লক্ষ্য: ২০৩২
সালের মধ্যে
ফেডারেল কর
১০%-এ নামিয়ে
আনা।
- এর ফলে
মোট কার্যকর
করের হারও
ধীরে ধীরে
কমবে, যা
বিনিয়োগকারীদের জন্য
বড় উৎসাহ।
গবেষণা ও উদ্ভাবনে (R&D) সুবিধা
- গবেষণা, উদ্ভাবন
ও নতুন
প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ
করলে বাড়তি
কর ছাড়
পাওয়া যাবে।
- এটি মূলত
হাই-টেক,
গ্রিন এনার্জি
ও ইনোভেশন-ভিত্তিক কোম্পানিগুলোর জন্য প্রযোজ্য।
বিনিয়োগ ফান্ড ও বিদেশি বিনিয়োগে স্বচ্ছতা
- আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ
তহবিলের কর
কাঠামোকে আরও
স্বচ্ছ ও
সহজ করা
হয়েছে।
- বিদেশি বিনিয়োগকারীদের রিপোর্টিং প্রক্রিয়াও
এখন আগের
চেয়ে সহজ।
বিনিয়োগকারীর জন্য
এর মানে
কী
- ২০২৫–২০২৭ সময়কাল সবচেয়ে লাভজনক, কারণ
তখন অবচয়
সুবিধা সবচেয়ে
বেশি।
- ইলেকট্রিক যান ও সবুজ বিনিয়োগে কর
ছাড় বেশি,
তাই ESG-ভিত্তিক
বিনিয়োগ আরও
লাভজনক।
- কর হার কমছে, তাই
দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগে
ভবিষ্যতে লাভ
বাড়বে।
- স্থান নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ — শহরভেদে
ট্রেড ট্যাক্সের
পার্থক্য আছে।
- বিনিয়োগ বা
ব্যবসা শুরু
করার আগে
ট্যাক্স অ্যাডভাইস নেওয়া আবশ্যক, কারণ
আইন প্রয়োগে
সময়ভেদে ভিন্নতা
থাকতে পারে।
কিছু সীমাবদ্ধতা
- কর ছাড়
মূলত কোম্পানির জন্য, ব্যক্তিগত
বিনিয়োগকারীদের জন্য
নয়।
- অবচয়ের সুবিধা
সময় সীমিত (২০২৫–২০২৮)।
- স্থানীয় রাজ্য
বা পৌরসভার
করনীতিও চূড়ান্ত
করের পরিমাণে
প্রভাব ফেলে।
- নতুন আইন
কার্যকর হলেও
প্রয়োগে বাস্তব পার্থক্য থাকতে
পারে।
সারসংক্ষেপে
|
বিষয় |
মূল তথ্য |
|
ফেডারেল কর |
১৫% (২০৩২
সালের মধ্যে কমে ১০%) |
|
সারচার্জ |
৫.৫% (ফেডারেল
করের উপর) |
|
ট্রেড ট্যাক্স |
গড়ে ১৪–১৭% |
|
মোট কার্যকর
কর |
৩০%–৩৩%
(ভবিষ্যতে কমবে) |
|
নতুন ছাড় |
দ্রুত অবচয়,
ইলেকট্রিক গাড়িতে সুবিধা |
|
সময়সীমা |
২০২৫–২০২৮
সালের মধ্যে বিনিয়োগ করলে প্রযোজ্য |
জার্মানির নতুন কর সংস্কার ব্যবস্থা ব্যবসা-বান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর এবং পরিবেশ-সচেতন।
কর হার কমে আসছে, গবেষণা ও সবুজ বিনিয়োগে উৎসাহ বাড়ছে —
ফলে জার্মানি এখন ইউরোপের অন্যতম আকর্ষণীয় কর্পোরেট বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে
উঠে আসছে।
উপসংহার
তাহলে, আমরা দেখলাম —
জার্মানির ট্যাক্স সিস্টেম খুব সংগঠিত ও আইনি ভিত্তিতে গঠিত।
যেখানে প্রতিটি নাগরিকের কর দেওয়া দেশের সামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় হয়।
বুঝতে পারলাম — ট্যাক্স শুধু সরকারের আয় নয়, বরং নাগরিক দায়িত্বও বটে।
সারাংশ:
এই আলোচনায় আমরা জানলাম জার্মানির ট্যাক্সের ধরন, করের হার, প্রশাসন, নাগরিক দায়িত্ব, এবং বর্তমান চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে।যা শিক্ষার্থী বা অর্থনীতি আগ্রহীদের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক।
দায় অস্বীকার (Disclaimer)
এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র সাধারণ শিক্ষামূলক ও তথ্যগত উদ্দেশ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে।
এটি কোনো ধরনের আইনি, হিসাবরক্ষণ (Accounting), বা কর পরামর্শ (Tax Advice) নয়।
জার্মানির কর আইন সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে এবং প্রতিটি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীর অবস্থার উপর কর প্রযোজনার ভিন্নতা থাকতে পারে।
তাই যেকোনো বিনিয়োগ বা কর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই একজন যোগ্য কর পরামর্শক (Certified Tax Advisor) বা ফাইন্যান্স বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

